অনলাইন ডেস্ক : ঢাকা: নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে ৫ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শুরু হবে। আজ সোমবার (১২ অক্টোবর) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময় নির্ধারণ সংক্রান্ত সভা শেষে ব্রিফিংয়ে এমনটা জানান তিনি।
ইসি সানাউল্লাহ জানান, প্রথম ধাপে আগামী ২১ জানুয়ারি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি দ্বিতীয় ধাপে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি, তৃতীয় ধাপে আগামী ২৯ এপ্রিল, চতুর্থ ধাপে আগামী ১৩ মে এবং পঞ্চম ধাপে আগামী ২৭ মে ইউনিয়ন পরিষদের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি বলেন, যেসব ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ অনেক আগে শেষ হয়েছে বা যেখানে দীর্ঘ দিন ভোট হয়নি, সেগুলোকে এই নির্বাচনে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা ভোটগ্রহণের নির্ধারিত তারিখের ছয় সপ্তাহ আগে আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণা করবেন। তফসিল ঘোষণার দিনে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালিত হবে।
নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, নির্বাচন কমিশন শিগগিরই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বৈঠকে বসবে। জাতীয় নির্বাচনের আগেও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে নানা কথা শুনতে হয়েছিরো, তবে তাও একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনও সম্পূর্ণরূপে সহিংসতামুক্ত হবে। বাংলাদেশের নির্বাচন আর কোনো দিন সহিংসতার পথে হাঁটবে না বলে তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে ভোটার তালিকা হালনাগাদ প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার বলেন, অসচেতনতার কারণে অনেক সময় মৃত ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়ে না। কীভাবে সঠিক ও নিখুঁতভাবে ভোটার তালিকা থেকে মৃত ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া যায়, তা নিয়ে কমিশনে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএম সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ইভিএমগুলো এখনো নির্বাচন কমিশনের হেফাজতে রয়েছে এবং কমিশন এ নিয়ে নানা ধরনের জটিলতা পোহাচ্ছে। মেশিনগুলো চূড়ান্তভাবে বিনাশ বা বিনষ্ট করার লক্ষ্যে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হবে।
এর আগে স্থানীয় সরকারের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের দিনক্ষণ নির্ধারণের জন্য আজ সকালে বৈঠকে বসে নির্বাচন কমিশন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে সকাল সাড়ে ১০টায় নির্বাচন ভবনে কমিশন সভা শুরু হয়।








